ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

ঋণখেলাপি হয়েও এলসি খোলার বিশেষ সুবিধা পেল আব্দুল মোনেম সুগার

আব্দুল মোনেম সুগার রিফাইনারি লিমিটেডকে ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের করপোরেট গ্যারান্টর হওয়া সত্ত্বেও ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার বিশেষ অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিদ্যমান ধারা শিথিল করে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সুবিধার কারণে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো আর্থিক ক্ষতি হওয়া চলবে না। উল্লেখ্য, আব্দুল মোনেম লিমিটেডের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৯৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে, যার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের পাওনাই সবচেয়ে বেশি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাজারে চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে বড় ধরনের লোকসান এড়াতে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। সময়মতো এলসি খুলতে না পারলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ক্ষতিপূরণ গুনতে হতো প্রতিষ্ঠানটিকে, যা দেশের চিনি বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি: জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৬ শতাংশে

ঋণখেলাপি হয়েও এলসি খোলার বিশেষ সুবিধা পেল আব্দুল মোনেম সুগার

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

আব্দুল মোনেম সুগার রিফাইনারি লিমিটেডকে ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের করপোরেট গ্যারান্টর হওয়া সত্ত্বেও ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার বিশেষ অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিদ্যমান ধারা শিথিল করে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সুবিধার কারণে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো আর্থিক ক্ষতি হওয়া চলবে না। উল্লেখ্য, আব্দুল মোনেম লিমিটেডের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৯৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে, যার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের পাওনাই সবচেয়ে বেশি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাজারে চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে বড় ধরনের লোকসান এড়াতে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। সময়মতো এলসি খুলতে না পারলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ক্ষতিপূরণ গুনতে হতো প্রতিষ্ঠানটিকে, যা দেশের চিনি বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত।