ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় কোরআনের আয়াত শোনানোকে ‘রাজনৈতিক প্রচারণা ও সামরিক ব্যবহারের প্রোপাগান্ডা’ বলে মন্তব্য করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। তাদের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ধর্মকে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবহার করা ইরানের শাসকগোষ্ঠীর জন্য নতুন কিছু নয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কোরআনের নির্দিষ্ট আয়াত বেছে নিয়ে দাফনক্রিয়ায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদলগুলোকে রাজনৈতিক ও প্রতীকী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। লেখিকা ফাতেমা আল হারবি দাবি করেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনকার্যক্রম ধর্মীয় ও রাজনৈতিক—উভয় উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হবে এমন প্রত্যাশা ছিল। অনুষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় পিছিয়ে দেওয়ায় প্রতিটি বিষয় সুচিন্তিতভাবে পরিকল্পনা করার সুযোগ পেয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
উদাহরণস্বরূপ, হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাতে সূরা আল-মায়িদার ৫৬ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, যেখানে হিজবুল্লাহকে ‘আল্লাহর দল’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটিকে কেবল রাজনৈতিক বা সামরিক শক্তি নয়, বরং ঐশী বৈধতাপ্রাপ্ত একটি শক্তি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, হামাস প্রতিনিধিদলের জন্য সূরা আল-আহযাবের ২৩ নম্বর আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, যা মুমিনদের অঙ্গীকার পূরণের কথা বলে। এর মাধ্যমে হামাসকে ঈমান, আনুগত্য ও অবিচলতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে বলে টাইমস অব ইসরায়েল দাবি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 























