ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি এড়াতে ইরানের সর্বোচ্চ সতর্কতা: খোমেনির জানাজার স্মৃতি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষযাত্রাকে কেন্দ্র করে ১৯৮৯ সালের মতো বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ (ইরনা) জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১৯৮৯ সালে আলি খামেনির পূর্বসূরি ইমাম আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও দাফানে প্রায় এক কোটি মানুষের সমাগম ঘটেছিল। ওই সময় জনতার চাপে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। সেই ঘটনার সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত ছিল, শোকাহত জনতা খোমেনিকে বহনকারী যানবাহন ঘিরে ফেললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে তাঁকে বহনকারী কফিনটি ভেঙে যায় এবং লাশটি মাটিতে পড়ে যায়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাঁর লাশ দাফনের স্থানে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়, যা বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

সোমবারের শোকযাত্রায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং তারা কতটা কাছাকাছি যেতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে এবার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। শেষযাত্রায় অংশ নেওয়া ৫৮ বছর বয়সী গোলামরেজা খানবাবাই বলেন, ‘আমি যদি এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ১৯৮৯ সালের অনুষ্ঠানটির তুলনা করি, তাহলে বলব দুটির মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তবে এবার মানুষের উৎসাহ আরও বেশি বলে মনে হচ্ছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে স্ত্রীকে পুকুরে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ, গা ঢাকা দিয়েছেন স্বামী

বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি এড়াতে ইরানের সর্বোচ্চ সতর্কতা: খোমেনির জানাজার স্মৃতি

আপডেট সময় : ১০:১০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষযাত্রাকে কেন্দ্র করে ১৯৮৯ সালের মতো বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ (ইরনা) জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১৯৮৯ সালে আলি খামেনির পূর্বসূরি ইমাম আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও দাফানে প্রায় এক কোটি মানুষের সমাগম ঘটেছিল। ওই সময় জনতার চাপে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। সেই ঘটনার সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত ছিল, শোকাহত জনতা খোমেনিকে বহনকারী যানবাহন ঘিরে ফেললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে তাঁকে বহনকারী কফিনটি ভেঙে যায় এবং লাশটি মাটিতে পড়ে যায়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাঁর লাশ দাফনের স্থানে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়, যা বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

সোমবারের শোকযাত্রায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং তারা কতটা কাছাকাছি যেতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে এবার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। শেষযাত্রায় অংশ নেওয়া ৫৮ বছর বয়সী গোলামরেজা খানবাবাই বলেন, ‘আমি যদি এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ১৯৮৯ সালের অনুষ্ঠানটির তুলনা করি, তাহলে বলব দুটির মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তবে এবার মানুষের উৎসাহ আরও বেশি বলে মনে হচ্ছে।’