ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর আসর থেকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিদায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যখন তুমুল আলোচনা চলছে ঠিক সেই সময়ে দেশের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তানজিম সাইয়ারা তটিনী সম্পূর্ণ বিপরীত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। একজন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিদায় বেশ আনন্দ নিয়ে উদযাপন করেছেন এবং অন্যজন হারের বেদনার মাঝেও নিজের প্রিয় দলের প্রতি অটুট ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন।

আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত মেহজাবীন চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচটি উপভোগ করেন। ম্যাচ চলাকালীন এবং খেলা শেষে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। গ্যালারি থেকে তোলা একটি ছবির ক্যাপশনে তিনি রসিকতা করে লেখেন যে তিনি ব্রাজিলকে ফুটবলের কিছু টিপস দিতে এসেছেন তবে তিনি মূলত আর্জেন্টিনার সমর্থক। ম্যাচ চলাকালে আরেক পোস্টে তিনি ভক্তদের উদ্দেশে লেখেন তাদের ফোনের চার্জ যত শতাংশ ঠিক তত শতাংশই হলো ব্রাজিলের হারের সম্ভাবনা। পরবর্তীতে নরওয়ের জয় নিশ্চিত হওয়ার পর স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তাকে উল্লাস করতে দেখা যায় এবং বড় পর্দায় ব্রাজিলের বিদায়ের দৃশ্য পেছনে রেখে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলকে বিদায় জানান।
অন্যদিকে ব্রাজিলের বিদায়ে নিজের মন খারাপের কথা অকপটে প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। ব্রাজিলের জার্সি পরা নিজের একটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন দলের প্রতিটি ভালো এবং খারাপ সময়ে তিনি পাশে আছেন। ব্রাজিল এমন একটি দল যা তিনি চিরকাল নিজের হৃদয়ে বহন করবেন বলে জানান এবং আজ থেকে শুরু করে আগামীকাল ও সর্বদা নিজের দলের সঙ্গেই থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ওই পোস্টে তাকে এক হাত দিয়ে চোখ ঢেকে কান্না লুকানোর ভঙ্গিতে হাসতে দেখা যায় এবং মন্তব্যের ঘরেও একাধিক কান্নার ইমোজি দিয়ে তিনি প্রিয় দলের বিদায়ের হতাশা প্রকাশ করেছেন।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে যখন ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে তর্ক বিতর্ক এবং আবেগের বহিঃপ্রকাশ চলছে তখন মেহজাবীন ও তটিনীর এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে দুই এক গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল এবং এই জয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ইউরোপের দেশ নরওয়ে।
রিপোর্টারের নাম 

























