ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়িতে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ: আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১১ মাসেই বিচার সম্পন্ন

খাগড়াছড়িতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আসামি মো. শাহিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শায়েলা শারমিন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এটিই প্রথম কোনো মামলার রায়, যা অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে অর্থাৎ মাত্র ১১ মাস ১৪ দিনের মাথায় প্রদান করা হলো।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জন এবং আসামিপক্ষে ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভিকটিম রামগড় উপজেলার নাকাপা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার দিন মাদরাসা থেকে ফেরার পথে স্থানীয় দোকানদার শাহিন তাকে কৌশলে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় রামগড় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে এত দ্রুত রায় প্রদান একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। এর ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমবে এবং ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি নেতাদের ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ইসরায়েলের, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের

খাগড়াছড়িতে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ: আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১১ মাসেই বিচার সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০১:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়িতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আসামি মো. শাহিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শায়েলা শারমিন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এটিই প্রথম কোনো মামলার রায়, যা অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে অর্থাৎ মাত্র ১১ মাস ১৪ দিনের মাথায় প্রদান করা হলো।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জন এবং আসামিপক্ষে ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভিকটিম রামগড় উপজেলার নাকাপা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। ঘটনার দিন মাদরাসা থেকে ফেরার পথে স্থানীয় দোকানদার শাহিন তাকে কৌশলে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় রামগড় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে এত দ্রুত রায় প্রদান একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। এর ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমবে এবং ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।