দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে চীনের বড় বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গেও সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা। সম্প্রতি মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন এই দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরগুলো ঢাকার কৌশলগত অগ্রাধিকার পরিবর্তনের বড় আভাস দিচ্ছে।
সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের বেইজিং সফরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়েছে, যার মধ্যে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা এবং মোংলা বন্দরের কাছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প অন্যতম। এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ভারত ও চীন—উভয় দেশের জন্যই বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গত আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে তৈরি হওয়া শীতলতা কাটিয়ে উঠতে উভয় পক্ষই এখন কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে।
ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করার লক্ষণ হিসেবে দীর্ঘ ১৮ মাস পর আন্তঃদেশীয় বাস চলাচল আংশিক শুরু হয়েছে। এছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারতের ‘ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনারের যোগদান এবং দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরায় স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 























