ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

উখিয়ায় ভারি বর্ষণে পাহাড়ধস: নারী ও শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গার প্রাণহানি

কক্সবাজারের উখিয়ায় টানা ভারি বর্ষণের ফলে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে বসতঘর মাটিচাপা পড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত আটজন রোহিঙ্গা শরণার্থী নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে উপজেলার পৃথক তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও উদ্ধারকারী সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার পালংখালী জামতলী ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন মোহাম্মদ কামাল হোসাইন, তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম এবং তাদের চার বছর বয়সী শিশু সন্তান মোহাম্মদ আনাস। এছাড়া কুতুপালং ৭ নম্বর ক্যাম্পে মাটিচাপায় একরাম নামের সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, বালুখালী ১১ নম্বর ক্যাম্পে পাহাড়ধসে দুই বোনসহ আরও চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তারা জানান, খবর পাওয়ার পরপরই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন এবং আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও ৮ এপিবিএন সদস্যরা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে কাজ করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত সবাইকে সতর্ক থাকার এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি নেতাদের ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি ইসরায়েলের, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের

উখিয়ায় ভারি বর্ষণে পাহাড়ধস: নারী ও শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গার প্রাণহানি

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় টানা ভারি বর্ষণের ফলে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে বসতঘর মাটিচাপা পড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত আটজন রোহিঙ্গা শরণার্থী নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে উপজেলার পৃথক তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও উদ্ধারকারী সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ার পালংখালী জামতলী ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন মোহাম্মদ কামাল হোসাইন, তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম এবং তাদের চার বছর বয়সী শিশু সন্তান মোহাম্মদ আনাস। এছাড়া কুতুপালং ৭ নম্বর ক্যাম্পে মাটিচাপায় একরাম নামের সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, বালুখালী ১১ নম্বর ক্যাম্পে পাহাড়ধসে দুই বোনসহ আরও চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তারা জানান, খবর পাওয়ার পরপরই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন এবং আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও ৮ এপিবিএন সদস্যরা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে কাজ করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত সবাইকে সতর্ক থাকার এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।