ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

আটলান্টিকের ‘নীল হাঙর’দের ফুটবল রূপকথা: কেপ ভার্দের অবিশ্বাস্য উত্থান

বিশ্ব ফুটবলের মঞ্চে যখন কাড়ি কাড়ি টাকা আর আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দাপট, তখন আটলান্টিক মহাসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা এক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র জন্ম দিয়েছে এক নতুন মহাকাব্যের। মাত্র ৫ লাখ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে, যাদের ফুটবল দুনিয়া চেনে ‘ব্লু শার্কস’ বা নীল হাঙর নামে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে বিশ্বমঞ্চে বড় বড় দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে এই পুঁচকে দলটি।

কেপ ভার্দের এই সাফল্যের যাত্রা কোনো বিলাসবহুল একাডেমি থেকে শুরু হয়নি। সান্তা ক্রুজের ধুলোবালি মাখা মেঠোপথ আর সমুদ্রের তপ্ত বালু ছিল তাদের শৈশবের খেলার মাঠ। ছেঁড়া কাপড়ের বল কিংবা প্লাস্টিকের গোলক নিয়ে দৌড়ানো সেই কিশোররাই আজ বিশ্বমঞ্চের নায়ক। এসওয়াতিনিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে যখন তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট পায়, তখন পুরো দ্বীপরাষ্ট্রে আনন্দের এক নতুন ইতিহাস রচিত হয়।

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এইচ’-এর লড়াইয়ে কেপ ভার্দেকে শুরুতে অবজ্ঞা করা হলেও মাঠের পারফরম্যান্সে তারা সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে তাদের লড়াই ফুটবল প্রেমীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলেছে। স্থানীয় কিশোর ইউরি মার্লে ফার্নান্দেসদের মতো হাজারো স্বপ্নবাজ তরুণের আত্মবিশ্বাসই এখন কেপ ভার্দের ফুটবলের মূল শক্তি, যারা একদিন বিশ্বসেরা হওয়ার স্বপ্ন দেখে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের অগ্রসেনানী মাহের ইউনুসের জীবনাবসান

আটলান্টিকের ‘নীল হাঙর’দের ফুটবল রূপকথা: কেপ ভার্দের অবিশ্বাস্য উত্থান

আপডেট সময় : ০১:১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

বিশ্ব ফুটবলের মঞ্চে যখন কাড়ি কাড়ি টাকা আর আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দাপট, তখন আটলান্টিক মহাসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা এক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র জন্ম দিয়েছে এক নতুন মহাকাব্যের। মাত্র ৫ লাখ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে, যাদের ফুটবল দুনিয়া চেনে ‘ব্লু শার্কস’ বা নীল হাঙর নামে। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে বিশ্বমঞ্চে বড় বড় দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে এই পুঁচকে দলটি।

কেপ ভার্দের এই সাফল্যের যাত্রা কোনো বিলাসবহুল একাডেমি থেকে শুরু হয়নি। সান্তা ক্রুজের ধুলোবালি মাখা মেঠোপথ আর সমুদ্রের তপ্ত বালু ছিল তাদের শৈশবের খেলার মাঠ। ছেঁড়া কাপড়ের বল কিংবা প্লাস্টিকের গোলক নিয়ে দৌড়ানো সেই কিশোররাই আজ বিশ্বমঞ্চের নায়ক। এসওয়াতিনিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে যখন তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট পায়, তখন পুরো দ্বীপরাষ্ট্রে আনন্দের এক নতুন ইতিহাস রচিত হয়।

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এইচ’-এর লড়াইয়ে কেপ ভার্দেকে শুরুতে অবজ্ঞা করা হলেও মাঠের পারফরম্যান্সে তারা সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে তাদের লড়াই ফুটবল প্রেমীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলেছে। স্থানীয় কিশোর ইউরি মার্লে ফার্নান্দেসদের মতো হাজারো স্বপ্নবাজ তরুণের আত্মবিশ্বাসই এখন কেপ ভার্দের ফুটবলের মূল শক্তি, যারা একদিন বিশ্বসেরা হওয়ার স্বপ্ন দেখে।