ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫ ভূপাতিত করার ৩৬ বছর: যুক্তরাষ্ট্রের ‘দায়মুক্তির সংস্কৃতি’ নিয়ে তেহরানের তীব্র সমালোচনা

১৯৮৮ সালে পারস্য উপসাগরের আকাশে ইরানের যাত্রীবাহী বিমান ‘ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫’ ভূপাতিত করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘দায়মুক্তির সংস্কৃতি’ লালন করার অভিযোগ তুলেছে তেহরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী মিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তিন দশকের বেশি সময় পার হলেও ওয়াশিংটন এই বর্বরোচিত ঘটনার জন্য আজও কোনো আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চায়নি বা দায় স্বীকার করেনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৮৮ সালের ৩ জুলাই মার্কিন নৌবাহিনীর ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ২৯০ জন বেসামরিক যাত্রী নিহত হন, যাদের মধ্যে ৬৬ জনই ছিল শিশু। ইরানের দাবি, এই ঘটনার পর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সংশ্লিষ্ট নৌ-সদস্যদের বীরত্বসূচক পদকে ভূষিত করেছিলেন। তেহরানের মতে, এই ধরনের আচরণই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক ধরণের দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি করেছে।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, ৩ জুলাই ইরানি জাতির ইতিহাসে একটি কালো দিন। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র কেবল বিমান ভূপাতিত করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং মিনাবে একটি স্কুলে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো ঘটনায় ১৬৮ জন শিশুর মৃত্যুর দায়ও অস্বীকার করে আসছে। এই ঘটনাগুলো বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের প্রবক্তা দাবিদার যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতিকেই প্রকাশ করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সীমান্তে বিজিবির বড় অভিযান, ৮৫ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫ ভূপাতিত করার ৩৬ বছর: যুক্তরাষ্ট্রের ‘দায়মুক্তির সংস্কৃতি’ নিয়ে তেহরানের তীব্র সমালোচনা

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

১৯৮৮ সালে পারস্য উপসাগরের আকাশে ইরানের যাত্রীবাহী বিমান ‘ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫’ ভূপাতিত করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘দায়মুক্তির সংস্কৃতি’ লালন করার অভিযোগ তুলেছে তেহরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী মিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তিন দশকের বেশি সময় পার হলেও ওয়াশিংটন এই বর্বরোচিত ঘটনার জন্য আজও কোনো আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চায়নি বা দায় স্বীকার করেনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৮৮ সালের ৩ জুলাই মার্কিন নৌবাহিনীর ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ২৯০ জন বেসামরিক যাত্রী নিহত হন, যাদের মধ্যে ৬৬ জনই ছিল শিশু। ইরানের দাবি, এই ঘটনার পর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সংশ্লিষ্ট নৌ-সদস্যদের বীরত্বসূচক পদকে ভূষিত করেছিলেন। তেহরানের মতে, এই ধরনের আচরণই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক ধরণের দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি করেছে।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, ৩ জুলাই ইরানি জাতির ইতিহাসে একটি কালো দিন। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র কেবল বিমান ভূপাতিত করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং মিনাবে একটি স্কুলে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মতো ঘটনায় ১৬৮ জন শিশুর মৃত্যুর দায়ও অস্বীকার করে আসছে। এই ঘটনাগুলো বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের প্রবক্তা দাবিদার যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতিকেই প্রকাশ করে।