ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

বিড়ম্বনা কাটিয়ে অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেল ৬ শিক্ষার্থী

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের সেই ছয় শিক্ষার্থী অবশেষে চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। ফরম পূরণের জটিলতায় পড়ে শুরুতে তারা পরীক্ষায় বসতে না পারলেও প্রশাসনের বিশেষ হস্তক্ষেপে তাদের এই অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। শনিবার শিবগঞ্জ এমএইচ কলেজ কেন্দ্রে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—সম্রাট, হাসর, সাব্বির হোসেন, তৌহিদুর রহমান তামিম, মইনুর ইসলাম ও তমিদ হাসান। জানা গেছে, ফরম পূরণের জন্য তারা কলেজের কিছু কর্মচারীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়নি। ফলে পরীক্ষা শুরু হলেও তারা অংশ নিতে পারেননি, যা তাদের শিক্ষাজীবনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল।

গণমাধ্যমে এই খবরটি গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হলে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং এই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেয়। দীর্ঘ মানসিক যন্ত্রণার পর পরীক্ষায় বসতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। তারা এই মানবিক পদক্ষেপের জন্য শিক্ষা প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞা প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণীয় হয়ে থাকবে: শাহবাজ শরিফ

বিড়ম্বনা কাটিয়ে অবশেষে এইচএসসি পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেল ৬ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের সেই ছয় শিক্ষার্থী অবশেষে চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। ফরম পূরণের জটিলতায় পড়ে শুরুতে তারা পরীক্ষায় বসতে না পারলেও প্রশাসনের বিশেষ হস্তক্ষেপে তাদের এই অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। শনিবার শিবগঞ্জ এমএইচ কলেজ কেন্দ্রে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—সম্রাট, হাসর, সাব্বির হোসেন, তৌহিদুর রহমান তামিম, মইনুর ইসলাম ও তমিদ হাসান। জানা গেছে, ফরম পূরণের জন্য তারা কলেজের কিছু কর্মচারীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়নি। ফলে পরীক্ষা শুরু হলেও তারা অংশ নিতে পারেননি, যা তাদের শিক্ষাজীবনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল।

গণমাধ্যমে এই খবরটি গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হলে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং এই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেয়। দীর্ঘ মানসিক যন্ত্রণার পর পরীক্ষায় বসতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। তারা এই মানবিক পদক্ষেপের জন্য শিক্ষা প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।