ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জীবন ও সংগ্রামের নেপথ্যে তার স্ত্রীর অসামান্য অবদানের কথা উঠে এসেছে তার আত্মজীবনী ‘সেল নম্বর ১৪’ বইটিতে। সেখানে তিনি স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহর অটল মনোবল ও সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। খামেনি লিখেছেন, বারবার সাভাক বাহিনীর তল্লাশি এবং তার কারাবাসের সময়গুলোতেও তার স্ত্রী কখনো বিচলিত হননি।
বইটিতে খামেনি উল্লেখ করেছেন যে, তার স্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্যশীলা এবং সাদাসিধে জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। অভাব বা সংকটের সময়ও তিনি কখনো খামেনিকে দুশ্চিন্তায় ফেলতেন না। এমনকি সন্তানদের অসুস্থতার খবরও গোপন রাখতেন যাতে খামেনির কাজে ব্যাঘাত না ঘটে। কারাগারের সাক্ষাৎগুলোতে তার স্ত্রীর দৃঢ় মনোবল খামেনিকে আত্মবিশ্বাস ও মানসিক প্রশান্তি জোগাত।
বিপ্লবের আগে ও পরে বিলাসিতা বর্জন করে এই মহীয়সী নারী যেভাবে খামেনির পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক অনন্য উদাহরণ। খামেনি তার লেখায় উল্লেখ করেন, তার স্ত্রী কখনো নিজের জন্য বিশেষ কোনো পোশাক বা বিলাসদ্রব্য দাবি করেননি, বরং পরিবারের সংযমী জীবনধারা বজায় রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 























