যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে, ঠিক সেই সময়েই ইরানে শুরু হয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা। যদিও এই দুটি ঘটনার সময়কাল ধর্মীয় ও জাতীয় ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত, তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এর মধ্যে গভীর প্রতীকী তাৎপর্য খুঁজে পাচ্ছেন। ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনির মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন আশা করেছিল এই হামলার মাধ্যমে ইরানের শাসনব্যবস্থা ও প্রতিরোধ বলয়কে দুর্বল করে দেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। খামেনির মৃত্যু ইরান ও ইরাকের সাধারণ মানুষের মধ্যে মার্কিন আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে নতুন করে সংকল্পবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে তার জানাজা প্রমাণ করে যে, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ে তার আদর্শ এখনো কতটা শক্তিশালী।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের আড়াইশ বছরের মাইলফলক স্পর্শ করছে, তখন তারা নানাবিধ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের সম্মুখীন। সামরিক শক্তির অতিরিক্ত বিস্তার এবং মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতা মার্কিন আধিপত্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে খামেনির প্রস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে এক দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















