ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ইউক্রেনের কোস্তিয়ান্তিনিভকা দখলের দাবি রাশিয়ার, অস্বীকার কিয়েভের

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক অঞ্চলের কৌশলগত শহর কোস্তিয়ান্তিনিভকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে এই সফলতার কথা জানান। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে শহরটিতে রুশ পতাকা ওড়াতে দেখা যায়।

তবে রাশিয়ার এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী। ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরটি এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে এবং সেখানে রুশ বাহিনীর সাথে তীব্র লড়াই চলছে। স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে দুই পক্ষের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরটি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে রুশ বাহিনী এই অঞ্চলটি দখলের জন্য আক্রমণ চালিয়ে আসছিল। দোনেৎস্ক অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এটি রাশিয়ার জন্য বড় একটি লক্ষ্য ছিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞা প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণীয় হয়ে থাকবে: শাহবাজ শরিফ

ইউক্রেনের কোস্তিয়ান্তিনিভকা দখলের দাবি রাশিয়ার, অস্বীকার কিয়েভের

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক অঞ্চলের কৌশলগত শহর কোস্তিয়ান্তিনিভকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল ভ্যালেরি গেরাসিমভ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে এই সফলতার কথা জানান। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে শহরটিতে রুশ পতাকা ওড়াতে দেখা যায়।

তবে রাশিয়ার এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী। ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরটি এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে এবং সেখানে রুশ বাহিনীর সাথে তীব্র লড়াই চলছে। স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে দুই পক্ষের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরটি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে রুশ বাহিনী এই অঞ্চলটি দখলের জন্য আক্রমণ চালিয়ে আসছিল। দোনেৎস্ক অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এটি রাশিয়ার জন্য বড় একটি লক্ষ্য ছিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।