ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে ইরান ও ইরাকজুড়ে চলছে নজিরবিহীন প্রস্তুতি। পাঁচটি শহরজুড়ে ছয় দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছে তেহরান। এই শোকাবহ আবহে খামেনির সংগ্রামী জীবনের নানা দিক নতুন করে আলোচনায় উঠে আসছে।
খামেনির আত্মজীবনী ‘সেল নম্বর ১৪’ থেকে জানা যায়, তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল মাশহাদের একটি সরু গলির ছোট মসজিদে ইমামতির মাধ্যমে। পরবর্তীতে জনপ্রিয়তার কারণে সরকারি বাধার মুখে পড়লেও তিনি দমে যাননি। এমনকি কারাবন্দি অবস্থায়ও সহবন্দিদের নিয়ে জামাতে নামাজ পড়াতেন তিনি। নির্মাণাধীন মসজিদ থেকে শুরু করে নির্বাসিত জীবনের আল-রাসুল মসজিদ—সবখানেই তাঁর বক্তব্য ও নেতৃত্ব ছিল সাধারণ মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। খামেনির এই দীর্ঘ পথচলা এবং ধর্মীয় প্রভাবই তাঁকে এক সময় ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতার আসনে বসিয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 





















