ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর থেকে ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ প্রত্যাহার, কমছে দাম

পাকিস্তানে স্যানিটারি ন্যাপকিনসহ প্রজনন স্বাস্থ্যসামগ্রীর ওপর আরোপিত ১৮ শতাংশ বিক্রয়কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। দেশটির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ ঔরঙ্গজেব এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিনের বিতর্কিত এই করকে অধিকারকর্মীরা ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ হিসেবে অভিহিত করে আসছিলেন। এই পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে স্যানিটারি পণ্যের দাম কমবে, যা সাধারণ নারীদের মধ্যে স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

ইউনিসেফ পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছে, এটি মাসিককালীন দারিদ্র্য মোকাবিলায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। স্যানিটারি পণ্যকে বিলাসদ্রব্য নয় বরং অপরিহার্য স্বাস্থ্যসামগ্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নারী অধিকারকর্মী মাহনুর ওমর এবং কর আইনজীবী আহসান জাহাঙ্গীর খান। তারা এই করকে সাংবিধানিক নীতির পরিপন্থী বলে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেছিলেন।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ নারী হওয়া সত্ত্বেও উচ্চমূল্যের কারণে মাত্র ১২ শতাংশ নারী বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করেন। আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক থাকায় এসব পণ্যের দাম সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গিয়েছিল। এই কর প্রত্যাহারের ফলে দেশটির বিশাল সংখ্যক নারী এখন সুলভে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির নেতৃত্ব ও প্রজ্ঞা প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণীয় হয়ে থাকবে: শাহবাজ শরিফ

পাকিস্তানে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর থেকে ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ প্রত্যাহার, কমছে দাম

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানে স্যানিটারি ন্যাপকিনসহ প্রজনন স্বাস্থ্যসামগ্রীর ওপর আরোপিত ১৮ শতাংশ বিক্রয়কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। দেশটির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ ঔরঙ্গজেব এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিনের বিতর্কিত এই করকে অধিকারকর্মীরা ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ হিসেবে অভিহিত করে আসছিলেন। এই পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে স্যানিটারি পণ্যের দাম কমবে, যা সাধারণ নারীদের মধ্যে স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

ইউনিসেফ পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছে, এটি মাসিককালীন দারিদ্র্য মোকাবিলায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। স্যানিটারি পণ্যকে বিলাসদ্রব্য নয় বরং অপরিহার্য স্বাস্থ্যসামগ্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নারী অধিকারকর্মী মাহনুর ওমর এবং কর আইনজীবী আহসান জাহাঙ্গীর খান। তারা এই করকে সাংবিধানিক নীতির পরিপন্থী বলে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেছিলেন।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ নারী হওয়া সত্ত্বেও উচ্চমূল্যের কারণে মাত্র ১২ শতাংশ নারী বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করেন। আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক থাকায় এসব পণ্যের দাম সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গিয়েছিল। এই কর প্রত্যাহারের ফলে দেশটির বিশাল সংখ্যক নারী এখন সুলভে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।