ইরানের দীর্ঘতম সময়ের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের মধ্য দিয়ে দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি প্রভাবশালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। ১৯৮৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ইরানের সামরিক, রাজনৈতিক ও বিচার বিভাগে নিজের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার শাসনামলেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত হয়।
তার নেতৃত্বে ইরান যেমন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সাফল্য দেখিয়েছে, তেমনি পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে দীর্ঘমেয়াদী বিরোধেও জড়িয়েছে। খামেনির মৃত্যুতে ইরানিদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হলেও, ভবিষ্যতে দেশটির রাজনৈতিক গতিপথ কোন দিকে যাবে তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে নতুন বিশ্লেষণ। তার শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক সংহতি ও ঐক্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























