ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্ব নিরাপত্তায় রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দায়বদ্ধতা রয়েছে: পুতিন

বিশ্বের দুই প্রধান পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার গুরুদায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাঠানো এক বিশেষ অভিনন্দন বার্তায় তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। ক্রেমলিন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পুতিন তার বার্তায় উল্লেখ করেন, আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্ম নয়, বরং এটি বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাইলফলক। তিনি ব্রিটিশ শাসনবিরোধী সংগ্রামে উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলোর প্রতি রাশিয়ার ঐতিহাসিক সমর্থনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। একইসঙ্গে দুই বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে মস্কো ও ওয়াশিংটনের যৌথ লড়াই এবং আধুনিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে একটি গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কেবল রাশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই নয়, বরং পুরো বিশ্ব সম্প্রদায়ের বৃহত্তর স্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দুর্নীতি করলে বদলি নয়, সরাসরি চাকরিচ্যুতি’: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

বিশ্ব নিরাপত্তায় রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দায়বদ্ধতা রয়েছে: পুতিন

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের দুই প্রধান পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার গুরুদায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাঠানো এক বিশেষ অভিনন্দন বার্তায় তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। ক্রেমলিন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পুতিন তার বার্তায় উল্লেখ করেন, আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্ম নয়, বরং এটি বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাইলফলক। তিনি ব্রিটিশ শাসনবিরোধী সংগ্রামে উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলোর প্রতি রাশিয়ার ঐতিহাসিক সমর্থনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। একইসঙ্গে দুই বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে মস্কো ও ওয়াশিংটনের যৌথ লড়াই এবং আধুনিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে একটি গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কেবল রাশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই নয়, বরং পুরো বিশ্ব সম্প্রদায়ের বৃহত্তর স্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।