ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সাম্রাজ্যবাদ ও সামাজিক প্রতিকূলতাই জামায়াতের বড় চ্যালেঞ্জ: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমানে তার দলের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রভাব এবং সামাজিক নানাবিধ বাধা। তিনি অভিযোগ করেন, মুসলিমরা একটি সার্বজনীন গোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের ওপর সাম্প্রদায়িকতার তকমা দেওয়া হয়। রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এক শিক্ষাশিবিরের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ অঞ্চলে জামায়াতে ইসলামীকে অনেক কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তিনি ভারত ও কাশ্মীরের মুসলমানদের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলমানদের অগ্রণী ভূমিকা ছিল এবং জামায়াতের ৮৬ বছরের দীর্ঘ পথচলায় অসংখ্য নেতা-কর্মী ত্যাগ ও কোরবানির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জামায়াতের নীতি-নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা অন্য যেকোনো সংগঠনের জন্য উদাহরণ। গত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, মানুষ একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চায় এবং জামায়াত সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই দলের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে তিনি নেতা-কর্মীদের পরামর্শ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দুর্নীতি করলে বদলি নয়, সরাসরি চাকরিচ্যুতি’: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি

সাম্রাজ্যবাদ ও সামাজিক প্রতিকূলতাই জামায়াতের বড় চ্যালেঞ্জ: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমানে তার দলের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রভাব এবং সামাজিক নানাবিধ বাধা। তিনি অভিযোগ করেন, মুসলিমরা একটি সার্বজনীন গোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের ওপর সাম্প্রদায়িকতার তকমা দেওয়া হয়। রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এক শিক্ষাশিবিরের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ অঞ্চলে জামায়াতে ইসলামীকে অনেক কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তিনি ভারত ও কাশ্মীরের মুসলমানদের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলমানদের অগ্রণী ভূমিকা ছিল এবং জামায়াতের ৮৬ বছরের দীর্ঘ পথচলায় অসংখ্য নেতা-কর্মী ত্যাগ ও কোরবানির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জামায়াতের নীতি-নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা অন্য যেকোনো সংগঠনের জন্য উদাহরণ। গত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, মানুষ একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চায় এবং জামায়াত সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই দলের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে তিনি নেতা-কর্মীদের পরামর্শ দেন।