ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যপদ হারালেন সাবেক প্রো-ভিসি ড. শামীম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাবেক উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের সিন্ডিকেট সদস্যপদ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কৌশলগতভাবে তার এই নির্বাচিত পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ডায়েরি ও ক্যালেন্ডারে পদটি খালি দেখানোর পর অ্যাটর্নি জেনারেলের আইনি মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা যায়, ২০২৩ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে বিএনপি-জামায়াতপন্থি সাদা দলের প্রার্থী হিসেবে দুই বছরের জন্য সিন্ডিকেট সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ড. শামীম। নিয়ম অনুযায়ী ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা ছিল। তবে মাঝপথে তিনি উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ পাওয়ায় এবং পরবর্তীতে সেই পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে মূল বিভাগে যোগদানের পর তার সদস্যপদ নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ড. শামীম তার আগের পদে বহাল না থাকায় সদস্যপদটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়েছে। গত ১১ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তিনি অংশ নিতে গেলে অন্য শিক্ষকদের বাধার মুখে পড়েন। পরে আইনি জটিলতা এড়াতে তাকে ছাড়াই সভার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কটাক্ষের অভিযোগ: শাওন ও মাহির বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় ডায়েরি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যপদ হারালেন সাবেক প্রো-ভিসি ড. শামীম

আপডেট সময় : ১১:৫৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাবেক উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের সিন্ডিকেট সদস্যপদ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কৌশলগতভাবে তার এই নির্বাচিত পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ডায়েরি ও ক্যালেন্ডারে পদটি খালি দেখানোর পর অ্যাটর্নি জেনারেলের আইনি মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা যায়, ২০২৩ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে বিএনপি-জামায়াতপন্থি সাদা দলের প্রার্থী হিসেবে দুই বছরের জন্য সিন্ডিকেট সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ড. শামীম। নিয়ম অনুযায়ী ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা ছিল। তবে মাঝপথে তিনি উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ পাওয়ায় এবং পরবর্তীতে সেই পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে মূল বিভাগে যোগদানের পর তার সদস্যপদ নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ড. শামীম তার আগের পদে বহাল না থাকায় সদস্যপদটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়েছে। গত ১১ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তিনি অংশ নিতে গেলে অন্য শিক্ষকদের বাধার মুখে পড়েন। পরে আইনি জটিলতা এড়াতে তাকে ছাড়াই সভার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।