ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

বাংলা কিউআর পেমেন্টে অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংকের

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলা কিউআর পেমেন্টে লেনদেনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ কাটা হবে বলে যে তথ্য ছড়িয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিভ্রান্তিকর তথ্যে দাবি করা হচ্ছে, গ্রাহক প্রতি ১ হাজার টাকা পেমেন্টে ১০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে, যা নিয়ে সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেনাকাটার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত মাশুল দিতে হবে না। অর্থাৎ, সাধারণ গ্রাহকরা শূন্য শতাংশ চার্জেই যেকোনো পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে পারবেন। এই লেনদেনের জন্য নির্ধারিত চার্জ মূলত বিক্রেতা বা মার্চেন্টদের ওপর প্রযোজ্য হবে, গ্রাহকের ওপর নয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি ১ হাজার টাকার লেনদেনে বিক্রেতাকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা চার্জ এবং এর ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রদান করতে হবে। সব মিলিয়ে বিক্রেতার খরচ হবে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। কোনো বিক্রেতা যদি গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত চার্জ দাবি করেন, তবে তা নিয়মবহির্ভূত হিসেবে গণ্য হবে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন: ধাপে ধাপে বাড়বে বেতন

বাংলা কিউআর পেমেন্টে অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংকের

আপডেট সময় : ০১:০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলা কিউআর পেমেন্টে লেনদেনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ কাটা হবে বলে যে তথ্য ছড়িয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিভ্রান্তিকর তথ্যে দাবি করা হচ্ছে, গ্রাহক প্রতি ১ হাজার টাকা পেমেন্টে ১০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে, যা নিয়ে সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কেনাকাটার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কোনো ধরনের অতিরিক্ত মাশুল দিতে হবে না। অর্থাৎ, সাধারণ গ্রাহকরা শূন্য শতাংশ চার্জেই যেকোনো পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে পারবেন। এই লেনদেনের জন্য নির্ধারিত চার্জ মূলত বিক্রেতা বা মার্চেন্টদের ওপর প্রযোজ্য হবে, গ্রাহকের ওপর নয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি ১ হাজার টাকার লেনদেনে বিক্রেতাকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা চার্জ এবং এর ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রদান করতে হবে। সব মিলিয়ে বিক্রেতার খরচ হবে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। কোনো বিক্রেতা যদি গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত চার্জ দাবি করেন, তবে তা নিয়মবহির্ভূত হিসেবে গণ্য হবে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।