ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

এইচএসবিসির বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও বৈষম্যের অভিযোগ সাবেক কর্মকর্তাদের

এইচএসবিসি বাংলাদেশের চাকরিচ্যুত একদল কর্মকর্তা ব্যাংকটির বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং কর্মীদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলেছেন। শনিবার রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান। কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ব্যাংকটি তার রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের অজুহাতে ২৫৭ জন কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ছাঁটাই করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এই কর্মকর্তাদের ‘ছাঁটাইকৃত’ হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে তাদের হাতে সাধারণ চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তারা আইনগতভাবে প্রাপ্য সেভারেন্স বেনিফিট ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে অর্থ কর্তন এবং গৃহঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দেওয়ার মতো বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত বা শ্রীলঙ্কায় একই ধরনের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় কর্মীদের যে পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশে তারা তার ধারেকাছেও পাননি। তারা এই অনিয়ম তদন্তে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং তিন দফা দাবি পেশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন: ধাপে ধাপে বাড়বে বেতন

এইচএসবিসির বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও বৈষম্যের অভিযোগ সাবেক কর্মকর্তাদের

আপডেট সময় : ০১:০৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

এইচএসবিসি বাংলাদেশের চাকরিচ্যুত একদল কর্মকর্তা ব্যাংকটির বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং কর্মীদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলেছেন। শনিবার রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান। কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ব্যাংকটি তার রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের অজুহাতে ২৫৭ জন কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ছাঁটাই করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এই কর্মকর্তাদের ‘ছাঁটাইকৃত’ হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে তাদের হাতে সাধারণ চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তারা আইনগতভাবে প্রাপ্য সেভারেন্স বেনিফিট ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে অর্থ কর্তন এবং গৃহঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দেওয়ার মতো বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত বা শ্রীলঙ্কায় একই ধরনের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় কর্মীদের যে পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশে তারা তার ধারেকাছেও পাননি। তারা এই অনিয়ম তদন্তে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং তিন দফা দাবি পেশ করেছেন।