মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশাল মানচিত্র, তার পেছনে রয়েছে একের পর এক ভূমি কেনার দীর্ঘ ইতিহাস। মূলত ভূখণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমেই দেশটি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছে। ইতিহাসবিদদের মতে, অতীতেও কোনো অঞ্চল অন্য শক্তির দখলে যাওয়ার আগেই তা কিনে নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করত ওয়াশিংটন।
১৮০৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে লুইজিয়ানা ভূখণ্ড কেনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মাইলফলক। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন ১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বিনিময়ে প্রায় ২০ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকা কিনে নেন, যা আমেরিকার আয়তন রাতারাতি দ্বিগুণ করে দেয়। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট যুদ্ধের খরচ মেটাতে এবং অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে এই বিশাল ভূখণ্ড বিক্রিতে রাজি হয়েছিলেন।
পরবর্তীতে ১৮৪৮ সালে মেক্সিকোর সঙ্গে যুদ্ধের পর ‘গুয়াদালুপ হিডালগো’ চুক্তির মাধ্যমে মেক্সিকো তাদের অর্ধেকের বেশি ভূখণ্ড হারায়। যুক্তরাষ্ট্র ক্যালিফোর্নিয়াসহ প্রায় ১৩ লাখ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা মাত্র ১ কোটি ৫০ লাখ ডলারে কিনে নেয়। যদিও ইতিহাসবিদরা একে ‘বন্দুকের মুখে করা চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন। এভাবেই বিভিন্ন সময়ে অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের সীমানা প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রিপোর্টারের নাম 






















