কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নে সরকারি ত্রাণের (জিআর) চাল বিতরণে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ডিজিটাল স্কেল বা সঠিক পরিমাপ যন্ত্রের পরিবর্তে বালতি দিয়ে মেপে উপকারভোগীদের চাল দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে চালের ওজনে কম হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা ও সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণের সময় ইউপি চেয়ারম্যান অনুপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে জনপ্রতি ২০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও বালতি ব্যবহারের কারণে অনেক উপকারভোগী নির্ধারিত ওজনের চেয়ে কম চাল পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই বিতরণ প্রক্রিয়া চললেও ওজনের সঠিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বালতি দিয়ে চাল মাপা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য বা স্বচ্ছ পদ্ধতি নয়। এতে সরকারি সহায়তার প্রকৃত সুফল থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হতে পারেন। অন্যদিকে, নগদ অর্থের চেক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে না দিয়ে পিআইও অফিস থেকে বিতরণ করায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দাবি করেন, হয়তো দ্রুত বিতরণের স্বার্থে বালতি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক ওজন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া ছিল। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
রিপোর্টারের নাম 
























