ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মুদ্রানীতি ঘোষণা: বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমানো হলো

দেশের বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে এই লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৮ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ করা হয়, যেখানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ঘোষিত মুদ্রানীতি অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ গত অর্থবছরের (২০২৫-২৬) পুরো সময়ের জন্য এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাড়ে ৮ শতাংশ। তবে, সর্বশেষ গত মে মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ শতাংশ, যা নতুন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম। এর মানে, বর্তমান প্রবৃদ্ধির তুলনায় লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যেই এই মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙন: বকশীগঞ্জে মানববন্ধন, স্থায়ী সমাধানের দাবি

মুদ্রানীতি ঘোষণা: বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমানো হলো

আপডেট সময় : ০৬:১৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

দেশের বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে এই লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৮ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে নতুন মুদ্রানীতি প্রকাশ করা হয়, যেখানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ঘোষিত মুদ্রানীতি অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ গত অর্থবছরের (২০২৫-২৬) পুরো সময়ের জন্য এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাড়ে ৮ শতাংশ। তবে, সর্বশেষ গত মে মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ শতাংশ, যা নতুন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম। এর মানে, বর্তমান প্রবৃদ্ধির তুলনায় লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যেই এই মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।