ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ধামইরহাটে উদ্ধারকৃত শতকোটি টাকার ৫টি কষ্টি পাথরের মূর্তি পাহাড়পুর জাদুঘরে হস্তান্তর

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে উদ্ধার হওয়া প্রায় ১০৭ কোটি টাকা মূল্যের পাঁচটি প্রাচীন কষ্টি পাথরের মূর্তি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে এই প্রত্নসম্পদগুলো পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এখন থেকে মূর্তিগুলো পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকবে।

মূর্তি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের কাস্টডিয়ান মো. ফজলুল করিমসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে এসব মূল্যবান প্রত্নসম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক এই নিদর্শনগুলো দেশের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মনে করছে, এই মূর্তিগুলো পাহাড়পুর জাদুঘরে স্থান পাওয়ায় পর্যটক ও গবেষকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাচীন ঐতিহ্য রক্ষায় তারা সবসময়ই তৎপর এবং উদ্ধারকৃত সকল প্রত্নসম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ের নতুন সভাপতি হালিম পাটোয়ারী, সম্পাদক মাহমুদা আক্তার

ধামইরহাটে উদ্ধারকৃত শতকোটি টাকার ৫টি কষ্টি পাথরের মূর্তি পাহাড়পুর জাদুঘরে হস্তান্তর

আপডেট সময় : ০৯:১২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে উদ্ধার হওয়া প্রায় ১০৭ কোটি টাকা মূল্যের পাঁচটি প্রাচীন কষ্টি পাথরের মূর্তি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে এই প্রত্নসম্পদগুলো পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এখন থেকে মূর্তিগুলো পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকবে।

মূর্তি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের কাস্টডিয়ান মো. ফজলুল করিমসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে এসব মূল্যবান প্রত্নসম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক এই নিদর্শনগুলো দেশের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মনে করছে, এই মূর্তিগুলো পাহাড়পুর জাদুঘরে স্থান পাওয়ায় পর্যটক ও গবেষকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাচীন ঐতিহ্য রক্ষায় তারা সবসময়ই তৎপর এবং উদ্ধারকৃত সকল প্রত্নসম্পদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হবে।