ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ৩৬ দিনের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করল জাতীয় নাগরিক পার্টি

চব্বিশের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাকে সমুন্নত রাখতে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। কর্মসূচিটি আগামী ১ জুলাই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে শুরু হয়ে ৫ আগস্ট বিজয় উৎসবের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। এই ঐতিহাসিক মাসকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা এবং আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই মাসব্যাপী এই আয়োজন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পদযাত্রা, গণসংযোগ এবং শহীদদের স্মরণে বিশেষ সভা। এছাড়া জুলাইয়ের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে জাতির সামনে তুলে ধরতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বিশেষ আয়োজন থাকবে।

ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২ থেকে ৮ জুলাই দেশব্যাপী গ্রাফিতি অঙ্কন, দেয়াল লিখন ও ব্যানার-ফেস্টুন প্রদর্শনী করা হবে। এছাড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট, নারী সমাবেশ, কৃষকদের নিয়ে আলোচনা, কফিন মিছিল এবং প্রবাসীদের নিয়ে ‘এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স’-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কর্মসূচি পালিত হবে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাসনাত আব্দুল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ‘জুলাই পুনর্জাগরণ বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেধা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে যোগ্য নাগরিক হওয়ার আহ্বান শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেলের

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ৩৬ দিনের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করল জাতীয় নাগরিক পার্টি

আপডেট সময় : ১০:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চব্বিশের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনাকে সমুন্নত রাখতে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। কর্মসূচিটি আগামী ১ জুলাই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে শুরু হয়ে ৫ আগস্ট বিজয় উৎসবের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। এই ঐতিহাসিক মাসকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা এবং আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই মাসব্যাপী এই আয়োজন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পদযাত্রা, গণসংযোগ এবং শহীদদের স্মরণে বিশেষ সভা। এছাড়া জুলাইয়ের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে জাতির সামনে তুলে ধরতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বিশেষ আয়োজন থাকবে।

ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২ থেকে ৮ জুলাই দেশব্যাপী গ্রাফিতি অঙ্কন, দেয়াল লিখন ও ব্যানার-ফেস্টুন প্রদর্শনী করা হবে। এছাড়া ফুটবল টুর্নামেন্ট, নারী সমাবেশ, কৃষকদের নিয়ে আলোচনা, কফিন মিছিল এবং প্রবাসীদের নিয়ে ‘এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স’-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কর্মসূচি পালিত হবে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাসনাত আব্দুল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ‘জুলাই পুনর্জাগরণ বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।