ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য নতুন নির্দেশনা

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি থেকে জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করাসহ একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। সম্প্রতি এক অফিস আদেশের মাধ্যমে দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ আছে, সেগুলোকে দ্রুত খেলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ নিয়ে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যদিকে, যেসব বিদ্যালয়ে নিজস্ব মাঠ নেই, তাদের ক্ষেত্রে আশপাশের সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহারের জন্য সমঝোতা চুক্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মাঠের অভাব থাকা বিদ্যালয়গুলোতে ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম যেমন—দাবা ও ক্যারাম সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন পাঠদান শেষে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখতে বলা হয়েছে। মাঠ নেই এমন বিদ্যালয়গুলোর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত প্রতিবেদন পাঠাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনালু: গ্রীষ্মের রুক্ষতায় এক পশলা সোনালি সৌন্দর্যের ছোঁয়া

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য নতুন নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৯:১১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি থেকে জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করাসহ একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। সম্প্রতি এক অফিস আদেশের মাধ্যমে দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ আছে, সেগুলোকে দ্রুত খেলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ নিয়ে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যদিকে, যেসব বিদ্যালয়ে নিজস্ব মাঠ নেই, তাদের ক্ষেত্রে আশপাশের সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহারের জন্য সমঝোতা চুক্তি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মাঠের অভাব থাকা বিদ্যালয়গুলোতে ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম যেমন—দাবা ও ক্যারাম সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন পাঠদান শেষে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখতে বলা হয়েছে। মাঠ নেই এমন বিদ্যালয়গুলোর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত প্রতিবেদন পাঠাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।