ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ইউক্রেন যুদ্ধের জেরেই রাশিয়ায় জ্বালানি সংকট: স্বীকারোক্তি পুতিনের

ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে রাশিয়ায় কিছুটা জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে তিনি এই সংকটকে এখনও গুরুতর বলে মনে করছেন না।

ক্রেমলিন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, গত চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরুর পর থেকেই রুশ বাহিনী ইউক্রেনের শহর, বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে অবস্থিত তেল শোধনাগার ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করছে।

পুতিন আরও বলেন, “এখন আমরা কিছুটা জ্বালানির ঘাটতি লক্ষ্য করছি, তবে এটি গুরুতর কিছু নয়।” তিনি জানান, রাশিয়ার এখন প্রধান কাজ হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বিশেষ করে ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

সাক্ষাৎকারে রুশ প্রেসিডেন্ট আশা করেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল মস্কো সফর করবে। এর আগে, রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়ার কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জ্বালানির ঘাটতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে। এর পেছনে ইউক্রেনের লজিস্টিক চেইন ও তেল স্থাপনাগুলোতে চালানো হামলাকে দায়ী করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়ানগরে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচিতে সবুজায়নের বার্তা

ইউক্রেন যুদ্ধের জেরেই রাশিয়ায় জ্বালানি সংকট: স্বীকারোক্তি পুতিনের

আপডেট সময় : ০২:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে রাশিয়ায় কিছুটা জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে তিনি এই সংকটকে এখনও গুরুতর বলে মনে করছেন না।

ক্রেমলিন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, গত চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরুর পর থেকেই রুশ বাহিনী ইউক্রেনের শহর, বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে অবস্থিত তেল শোধনাগার ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করছে।

পুতিন আরও বলেন, “এখন আমরা কিছুটা জ্বালানির ঘাটতি লক্ষ্য করছি, তবে এটি গুরুতর কিছু নয়।” তিনি জানান, রাশিয়ার এখন প্রধান কাজ হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বিশেষ করে ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

সাক্ষাৎকারে রুশ প্রেসিডেন্ট আশা করেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল মস্কো সফর করবে। এর আগে, রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়ার কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জ্বালানির ঘাটতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে। এর পেছনে ইউক্রেনের লজিস্টিক চেইন ও তেল স্থাপনাগুলোতে চালানো হামলাকে দায়ী করা হয়েছে।