ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

মূল্যস্ফীতির মাঝে স্বস্তি: ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে ৪ লাখ টাকায়

দেশের দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেটে তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এই সীমা চার লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এর ফলে, যাদের বার্ষিক বেতনভিত্তিক আয় ছয় লাখ টাকার কম (বেতনের এক-তৃতীয়াংশ করমুক্ত সুবিধাসহ), তাদের আয়কর দিতে হবে না।

একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ট্যাক্সপেয়ার্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) জমা দেওয়ার বিধানও প্রত্যাহারের চিন্তাভাবনা চলছে। এছাড়া, নিয়মিত কর দিয়ে জমি-ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য প্রদর্শনের নতুন বিধানটিও বাতিল করা হচ্ছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় লভ্যাংশ আয়ের ওপর আগের মতোই ২০ শতাংশ করহার বহাল রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিল-২০২৬ পাসের আগে শেষ সময়ে এসে বিভিন্ন অংশীজন ও ব্যবসায়ীদের আপত্তির মুখে প্রস্তাবিত বাজেটে এসব সংশোধনী আনার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছিল। এবার মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষকে আরও কিছুটা স্বস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রী এই সীমা আরও ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। অর্থাৎ, এক বছরে করমুক্ত সীমা মোট ৫০ হাজার টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে একক ভ্যাট হার বসানোর চিন্তা থেকেও আপাতত সরে আসছে সরকার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানে গাছ নিয়ে বিরোধে চাচাতো ভাইয়ের আঘাতে জেঠাতো ভাই নিহত

মূল্যস্ফীতির মাঝে স্বস্তি: ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে ৪ লাখ টাকায়

আপডেট সময় : ০১:১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দেশের দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেটে তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এই সীমা চার লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এর ফলে, যাদের বার্ষিক বেতনভিত্তিক আয় ছয় লাখ টাকার কম (বেতনের এক-তৃতীয়াংশ করমুক্ত সুবিধাসহ), তাদের আয়কর দিতে হবে না।

একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ট্যাক্সপেয়ার্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) জমা দেওয়ার বিধানও প্রত্যাহারের চিন্তাভাবনা চলছে। এছাড়া, নিয়মিত কর দিয়ে জমি-ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য প্রদর্শনের নতুন বিধানটিও বাতিল করা হচ্ছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় লভ্যাংশ আয়ের ওপর আগের মতোই ২০ শতাংশ করহার বহাল রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিল-২০২৬ পাসের আগে শেষ সময়ে এসে বিভিন্ন অংশীজন ও ব্যবসায়ীদের আপত্তির মুখে প্রস্তাবিত বাজেটে এসব সংশোধনী আনার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছিল। এবার মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষকে আরও কিছুটা স্বস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রী এই সীমা আরও ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। অর্থাৎ, এক বছরে করমুক্ত সীমা মোট ৫০ হাজার টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে একক ভ্যাট হার বসানোর চিন্তা থেকেও আপাতত সরে আসছে সরকার।