প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে এবং অতীতের সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতে অর্থ পাচারের কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছিল, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
সোমবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারই প্রথম বাজেট ঘোষণার পর কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়েনি। তিনি প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং জানান যে, অর্থনৈতিক সংকট, অর্থ পাচার ও দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো জনগণকে স্বস্তি প্রদান করা।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যদিও সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে, তবুও আমরা জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি স্বীকার করেন যে, সংসদে ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার চেয়ে অতীত নিয়েই বেশি কথা হয়েছে, কিন্তু জনগণ চায় আমরা ভবিষ্যৎমুখী আলোচনা করি।
সংসদের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই বাজেট পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার প্রয়াস। নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬১টি পণ্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে, যার ফলে পূর্ববর্তী বছরগুলোর মতো বাজেটের আগে বা পরে নিত্যপণ্যের দামে তেমন বৃদ্ধি ঘটেনি। তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন যে, সরকার জনগণকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পেরেছে।
সরকারপ্রধান বলেন, এবারের বাজেট কেবল বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং এর মাধ্যমে আমরা একটি মজবুত অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে চাই। এই বাজেটের লক্ষ্য হলো একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা। এটি নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার বোঝা লাঘব করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















