ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সিলেটের টেকসই উন্নয়ন ও বাজেট ভাবনা নিয়ে বিশেষ ভার্চুয়াল সংলাপ

সিলেটের দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাতীয় বাজেটের ভূমিকা নিয়ে একটি ভার্চুয়াল নীতিগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘সিলেটের উন্নয়নে বাজেট পর্যালোচনা: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সিলেট সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ফার্ম (এসএসডিআরএফ)। সংলাপে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদগণ অংশগ্রহণ করেন।

সংলাপে প্রধান আলোচক হিসেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার ও বিআইডিএস-এর মহাপরিচালক ড. এ. কে. এনামুল হক বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, সিলেটের উন্নয়নে স্থানীয় বাস্তবতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজাতে হবে। বিশেষ করে চা শিল্প, পর্যটন এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও জানান, সিলেটের প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন কমলালেবু ও অন্যান্য কৃষিপণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকারি নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। এছাড়া স্থানীয় উদ্ভাবন ও দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয় এই আলোচনা থেকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজ ও সেলফি: সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান

সিলেটের টেকসই উন্নয়ন ও বাজেট ভাবনা নিয়ে বিশেষ ভার্চুয়াল সংলাপ

আপডেট সময় : ০৫:০৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সিলেটের দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে জাতীয় বাজেটের ভূমিকা নিয়ে একটি ভার্চুয়াল নীতিগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘সিলেটের উন্নয়নে বাজেট পর্যালোচনা: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সিলেট সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ফার্ম (এসএসডিআরএফ)। সংলাপে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদগণ অংশগ্রহণ করেন।

সংলাপে প্রধান আলোচক হিসেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার ও বিআইডিএস-এর মহাপরিচালক ড. এ. কে. এনামুল হক বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, সিলেটের উন্নয়নে স্থানীয় বাস্তবতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজাতে হবে। বিশেষ করে চা শিল্প, পর্যটন এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও জানান, সিলেটের প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন কমলালেবু ও অন্যান্য কৃষিপণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকারি নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। এছাড়া স্থানীয় উদ্ভাবন ও দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয় এই আলোচনা থেকে।