ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক সমাবেশে মামুনুল হক: সাঈদীসহ বিভিন্ন আন্দোলন জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আন্দোলন, ২০২১ সালের মোদি বিরোধী আন্দোলন এবং আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পরবর্তী আন্দোলনগুলো জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের অংশ। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শনিবার বেলা ২টায় নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে অনুষ্ঠিত এক বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

একই সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপি কেন গণভোটের রায় মানতে চাইছে না, তার প্রধান কারণগুলো হচ্ছে, ১১ দল ও ঐক্যমত কমিশন প্রস্তাব করেছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর অসীম ক্ষমতা কমিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে হবে। কিন্তু বিএনপি এই প্রস্তাবে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ দিয়েছে। তারা চায় বিদ্যমান ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতেই বিচার বিভাগ, দুদক ও পিএসসির মতো সাংবিধানিক পদে নিয়োগের একক ক্ষমতা থাকুক, যাতে দলের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখা যায়।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে প্রস্তাব ছিল যে, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি দলীয় প্রধানের পদে থাকতে পারবেন না। বিএনপি এটি মানতে নারাজ। তারা মনে করে, প্রধানমন্ত্রী যদি দলীয় প্রধান না থাকেন, তবে পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো দমন-পীড়ন চালানো সম্ভব হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় রোববার

রাজনৈতিক সমাবেশে মামুনুল হক: সাঈদীসহ বিভিন্ন আন্দোলন জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম

আপডেট সময় : ০৭:০৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আন্দোলন, ২০২১ সালের মোদি বিরোধী আন্দোলন এবং আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পরবর্তী আন্দোলনগুলো জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের অংশ। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শনিবার বেলা ২টায় নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে অনুষ্ঠিত এক বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

একই সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপি কেন গণভোটের রায় মানতে চাইছে না, তার প্রধান কারণগুলো হচ্ছে, ১১ দল ও ঐক্যমত কমিশন প্রস্তাব করেছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর অসীম ক্ষমতা কমিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে হবে। কিন্তু বিএনপি এই প্রস্তাবে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ দিয়েছে। তারা চায় বিদ্যমান ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতেই বিচার বিভাগ, দুদক ও পিএসসির মতো সাংবিধানিক পদে নিয়োগের একক ক্ষমতা থাকুক, যাতে দলের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখা যায়।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে প্রস্তাব ছিল যে, যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি দলীয় প্রধানের পদে থাকতে পারবেন না। বিএনপি এটি মানতে নারাজ। তারা মনে করে, প্রধানমন্ত্রী যদি দলীয় প্রধান না থাকেন, তবে পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো দমন-পীড়ন চালানো সম্ভব হবে না।