খুলনার কয়রা উপজেলার সুন্দরবন এলাকায় বনদস্যু ‘দুলাভাই বাহিনী’র সঙ্গে কোস্টগার্ডের এক রক্তক্ষয়ী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে শওকত সরদার নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে এবং বাহিনীর প্রধান রবিউল ইসলামসহ আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সদর দপ্তর জানায়, ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় গত শুক্রবার থেকে সুন্দরবনের গহিনে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ডের মোংলা বেইস, কয়রা ও নলিয়ান স্টেশনের সদস্যরা বনপাড়া সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় দস্যুদের দুটি বোটকে থামার সংকেত দিলে তারা কোস্টগার্ডকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে কোস্টগার্ডও পাল্টা গুলি চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়।
বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে দস্যুদের একটি বোটে আগুন ধরে যায় এবং অন্যটি ডুবে যায়। তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাহিনী প্রধান রবিউল ইসলাম ও শওকত সরদারকে উদ্ধার করা হয়। তাদের দ্রুত কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শওকতকে মৃত ঘোষণা করেন। দস্যু প্রধান রবিউলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতদের কাছ থেকে ৬টি একনলা বন্দুক, ৬৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ও আটককৃতরা খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় কয়রা থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং নিহত ডাকাতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























