ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

‘দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না’: জনতা দলের আলোচনা সভা

সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন ও পানিসন্ত্রাস বন্ধের দাবিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বিগত সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে দেশ বর্তমানে নানামুখী সংকটের সম্মুখীন। ভারতের প্রতি দাসত্বমূলক মানসিকতা পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে নতুন পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশী দেশের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘জনতা দল’ আয়োজিত এই সভায় দলটির শীর্ষ নেতারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসন রোধে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তারা বর্তমান সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেন।

আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সভার সভাপতি ও জনতা দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার (অব.) শামীম কামাল বলেন, ফারাক্কা বাঁধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ভারত একতরফা পানিসন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের কৃষি খাত ধ্বংসের মুখে পড়ছে। গঙ্গা ও তিস্তা চুক্তিসহ ভারতের এই বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় দলের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আজম খান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। অনুষ্ঠান শেষে জুলাই বিপ্লবের সম্মুখ সারির যোদ্ধা মো. ফুয়াদ সাকীর নেতৃত্বে তিন শতাধিক রাজনৈতিক কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জনতা দলে যোগদান করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারিবারিক গল্পের নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘রক্তের বন্ধন’ আসছে ইউটিউবে

‘দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না’: জনতা দলের আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসন ও পানিসন্ত্রাস বন্ধের দাবিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বিগত সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে দেশ বর্তমানে নানামুখী সংকটের সম্মুখীন। ভারতের প্রতি দাসত্বমূলক মানসিকতা পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে নতুন পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশী দেশের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘জনতা দল’ আয়োজিত এই সভায় দলটির শীর্ষ নেতারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসন রোধে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তারা বর্তমান সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেন।

আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সভার সভাপতি ও জনতা দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার (অব.) শামীম কামাল বলেন, ফারাক্কা বাঁধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ভারত একতরফা পানিসন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের কৃষি খাত ধ্বংসের মুখে পড়ছে। গঙ্গা ও তিস্তা চুক্তিসহ ভারতের এই বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় দলের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আজম খান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। অনুষ্ঠান শেষে জুলাই বিপ্লবের সম্মুখ সারির যোদ্ধা মো. ফুয়াদ সাকীর নেতৃত্বে তিন শতাধিক রাজনৈতিক কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জনতা দলে যোগদান করেন।