লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামির ধারালো অস্ত্রের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
আহত অপর পুলিশ কর্মকর্তা হলেন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গেন্দুকুড়ি গ্রামের রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাশেদ চোর নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ ঘটনাস্থলে যান।
এ সময় আসামি রাশেদুল গ্রেপ্তার এড়াতে পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে সে। এতে এসআই রুহুল আমিনের হাতের কব্জিসহ শরীরের একাধিক স্থানে গুরুতর জখম হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসআই রুহুল আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়েছে। লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির হামলায় দুই কর্মকর্তা আহত হয়েছেন এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলীও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















