ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ফেনীতে যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধার: ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে নুর আহাম্মদ মাস্টারবাড়ির সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একটি দোকান নিয়ে বিরোধের জেরে যুবলীগ কর্মী পারভেজকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মী মামুন ও শাহাদাতের বিরুদ্ধে।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে পারভেজ ও মামুনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জোবায়ের হাতে থাকা লাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। বিষয়টি রাতেই বাড়ির লোকজন একত্রিত হয়ে মীমাংসা করে দেন।

নিহত পারভেজের বাবা আবু তাহের জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তার ছেলেকে জীবিত দেখেছেন। শনিবার সকালে বাড়ির সামনে তার গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পূর্ব বিরোধের জের ধরেই পারভেজকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের জানান, নিহত পারভেজ এবং অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা একই মামলায় কারাবন্দী ছিলেন। জামিনে বের হয়ে আসার পর তাদের মধ্যে বিরোধ আরও বেড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন: সম্মিলিত উদ্যোগেই টেকসই ব্যবস্থা গড়া সম্ভব, বললেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ফেনীতে যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধার: ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে নুর আহাম্মদ মাস্টারবাড়ির সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একটি দোকান নিয়ে বিরোধের জেরে যুবলীগ কর্মী পারভেজকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মী মামুন ও শাহাদাতের বিরুদ্ধে।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে পারভেজ ও মামুনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জোবায়ের হাতে থাকা লাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। বিষয়টি রাতেই বাড়ির লোকজন একত্রিত হয়ে মীমাংসা করে দেন।

নিহত পারভেজের বাবা আবু তাহের জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তার ছেলেকে জীবিত দেখেছেন। শনিবার সকালে বাড়ির সামনে তার গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পূর্ব বিরোধের জের ধরেই পারভেজকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের জানান, নিহত পারভেজ এবং অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা একই মামলায় কারাবন্দী ছিলেন। জামিনে বের হয়ে আসার পর তাদের মধ্যে বিরোধ আরও বেড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।