কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার – এই নীতিতেই বিশ্বাসী হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি মনে করেন মন্দির ওখানে করা ঠিক না বা রাম মূর্তি করা ঠিক না, বন্ধ করে দেন। কিন্তু আমি মনে করি ওরা ১০০ না ৩০০ মূর্তি বানাক, আমি মুসলমান তাতে আমার কিছু আসে-যায় না। আমি তো ওটার দিকে তাকাই না। আমি প্রয়োজনে ২৫ তলা মসজিদ করব। অসুবিধা কী। ও ওর মন্দিরে পূজা করবে আমি আমার মসজিদে নামাজ পড়ব অসুবিধা কী। একসঙ্গে কি আমরা থাকব না?”
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে রামমন্দির নির্মাণে হেফাজতে ইসলামসহ কয়েকটি সংগঠনের বাধার বিষয়ে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন। ফজলুর রহমান বলেন, “প্রত্যেকদিন স্লোগান হচ্ছে, এটা চাই না, ওটা চাই না। পলাশবাড়িতে দেখা যাচ্ছে ৮১ ফুট রাম মন্দির হচ্ছে। প্রত্যেকদিন মিছিল হচ্ছে। রাম মন্দির চাই না, মালাউনেরা দেশ ছেড়ে চলে যাও মিছিল করছে। তাদের পোশাকটা দেখলেই বুঝি তারা কারা। সেই পোশাকের লোকজনদের সংখ্যা এখন বেড়ে গেছে। এমন বাড় বেড়েছে, তারা পৃথিবীর কোনো সভ্যতা সংস্কৃতি শুনতে চায় না। ধর্মকে নিয়ে শুধু ব্যবসা করতে চায়।”
বাজেটে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বরাদ্দে বৈষম্য রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, “ভাত এবং তরকারির যেমন সম্পর্ক; শিক্ষা এবং সংস্কৃতির ঠিক তেমন সম্পর্ক। শিক্ষা বাজেট অনেক বেশি হয়েছে। কিন্তু সংস্কৃতির বাজেট খুব বেশি পরিপূরক হয়েছে বলে মনে হয় না। একটাকে অনাহারে রেখে আরেকটা খুব সুন্দরভাবে চলতে পারে না। কারণ, শিক্ষার সঙ্গে যদি সংস্কৃতির সঠিক মিলন না হয় তাহলে এখানে সভ্যতা গড়ে উঠবে না।”
রিপোর্টারের নাম 























