রাঙামাটির বরকল উপজেলার বরুনাছড়ি এলাকায় চাঞ্চল্যকর আয়েশা বেগম (৪৯) হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন নিহতের আপন ভাতিজা এবং অন্যজন দূর সম্পর্কের নাতি। বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব জানান, গত ২১ জুন বিকেলে নিজ ঘরে নির্মমভাবে খুন হন আয়েশা বেগম। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ইট ও হাতুড়ি জব্দ করে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আশরাফ আলী বাদী হয়ে বরকল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের একটি যৌথ দল তদন্তে নামে।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২৪ জুন সকালে বরনাছড়ি এলাকা থেকে অভিযুক্ত সোহাগ (১৭) ও ওমর আলীকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোহাগের বাড়ির হাঁস-মুরগির ঘর থেকে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ৬ হাজার টাকা এবং ওমর আলীর বাড়ির কলাবাগান থেকে আরও ৯৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























