ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

রাজাপুরে পরিত্যক্ত স্কুল ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেগুলোকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিকল্প কোনো শ্রেণিকক্ষ না থাকায় বাধ্য হয়ে দুটি বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জরাজীর্ণ ভবনেই ক্লাস করছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আতঙ্কে দিন কাটছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব রাজাপুর, পূর্ব সাতুরিয়া এবং উত্তর কাঠিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয়ের পাঠদান পাশের অন্য একটি ভবনে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হলেও বাকি দুটির ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা হয়নি। নব্বইয়ের দশকে নির্মিত ভবনগুলোর ছাদ ও দেয়াল ফেটে রড বেরিয়ে আসায় সেগুলো এখন কার্যত মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।

বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত কক্ষের অভাবে কাঁচা মেঝে বা টিনের ঘরে ক্লাস নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নতুন ভবনের জন্য আবেদন জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান চললেও বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি: শর্তাবলী খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র

রাজাপুরে পরিত্যক্ত স্কুল ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১১:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেগুলোকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিকল্প কোনো শ্রেণিকক্ষ না থাকায় বাধ্য হয়ে দুটি বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জরাজীর্ণ ভবনেই ক্লাস করছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আতঙ্কে দিন কাটছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব রাজাপুর, পূর্ব সাতুরিয়া এবং উত্তর কাঠিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয়ের পাঠদান পাশের অন্য একটি ভবনে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হলেও বাকি দুটির ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা হয়নি। নব্বইয়ের দশকে নির্মিত ভবনগুলোর ছাদ ও দেয়াল ফেটে রড বেরিয়ে আসায় সেগুলো এখন কার্যত মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।

বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত কক্ষের অভাবে কাঁচা মেঝে বা টিনের ঘরে ক্লাস নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নতুন ভবনের জন্য আবেদন জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান চললেও বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।