ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

খুবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের এক অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগে তার স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। বুধবার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই দাবিতে একটি গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত এই স্বাক্ষর সংগ্রহ চলবে এবং পরে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন কুরুচিপূর্ণ আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। শিক্ষার্থীদের দাবি, ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা চলবে না।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মেসেজ ও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, কুশপুত্তলিকা দাহসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এরই মধ্যে প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও শিক্ষার্থীরা স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে অনড় রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুমোদন

খুবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৯:১২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের এক অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির অভিযোগে তার স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। বুধবার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই দাবিতে একটি গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেছেন। শিক্ষার্থীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত এই স্বাক্ষর সংগ্রহ চলবে এবং পরে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন কুরুচিপূর্ণ আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। শিক্ষার্থীদের দাবি, ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা চলবে না।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মেসেজ ও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, কুশপুত্তলিকা দাহসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এরই মধ্যে প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও শিক্ষার্থীরা স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে অনড় রয়েছেন।