ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সেশনজট ও ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতা: রাবি নৃবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থীদের তালা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগে সেশনজট নিরসন এবং দ্রুত ফল প্রকাশের দাবিতে প্রশাসনিক কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও শিক্ষার্থীদের অনড় অবস্থানের কারণে বিভাগের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ না করায় তারা চরম সেশনজটের শিকার হচ্ছেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২০ সালে শুরু হওয়া তাদের অনার্স কোর্স ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়িয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা শেষ হওয়ার পাঁচ মাস পার হলেও এখনো মাস্টার্সের ক্লাস বা রুটিন দেওয়া হয়নি। বারবার বিভাগীয় প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

বিভাগের সভাপতি কাজি রবিউল আলম জানান, কিছু শিক্ষার্থীর ক্লাসে উপস্থিতির হার নির্ধারিত ৬০ শতাংশের কম হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, সেশনজট এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মানবিক বিবেচনায় পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিলারা জামান, আবুল হায়াত ও ডলি জহুর একসঙ্গে ‘দাদী ভয়ংকর’ নাটকে

সেশনজট ও ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতা: রাবি নৃবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থীদের তালা

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগে সেশনজট নিরসন এবং দ্রুত ফল প্রকাশের দাবিতে প্রশাসনিক কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও শিক্ষার্থীদের অনড় অবস্থানের কারণে বিভাগের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ না করায় তারা চরম সেশনজটের শিকার হচ্ছেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২০ সালে শুরু হওয়া তাদের অনার্স কোর্স ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়িয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা শেষ হওয়ার পাঁচ মাস পার হলেও এখনো মাস্টার্সের ক্লাস বা রুটিন দেওয়া হয়নি। বারবার বিভাগীয় প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

বিভাগের সভাপতি কাজি রবিউল আলম জানান, কিছু শিক্ষার্থীর ক্লাসে উপস্থিতির হার নির্ধারিত ৬০ শতাংশের কম হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, সেশনজট এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মানবিক বিবেচনায় পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।