ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এই বিশেষ আয়োজনে দেশের প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত এই তথ্য জানান।

এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে। এবারের লক্ষ্যমাত্রা হলো ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ২২ জন শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ক্যাম্পেইনটি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য লাল রঙের ক্যাপসুল সরবরাহ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বাদ পড়লে পরদিন উপজেলা পর্যায়ে তা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। দুর্গম এলাকায় এই কার্যক্রম পরবর্তী চার দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আজকের মধ্যেই সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পৌঁছে যাবে। এই ক্যাম্পেইনের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, রেলস্টেশন ও বাসস্টেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাতকানা রোগ এবং শিশু অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ ভিটামিন ‘এ’-এর অভাব। দুই দশক আগেও বাংলাদেশে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের অন্ধত্বের হার বেশি ছিল। তবে নিয়মিত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণের ফলে এই হার দ্রুত কমে এসেছে এবং বর্তমানে ভিটামিনের অভাবে অন্ধ হওয়া শিশুর সংখ্যা খুবই নগণ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে অভিযান চলাকালে ইসরায়েলি সেনা নিহত

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

আপডেট সময় : ১২:১৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এই বিশেষ আয়োজনে দেশের প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত এই তথ্য জানান।

এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে। এবারের লক্ষ্যমাত্রা হলো ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ২২ জন শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ক্যাম্পেইনটি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য লাল রঙের ক্যাপসুল সরবরাহ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বাদ পড়লে পরদিন উপজেলা পর্যায়ে তা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। দুর্গম এলাকায় এই কার্যক্রম পরবর্তী চার দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আজকের মধ্যেই সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পৌঁছে যাবে। এই ক্যাম্পেইনের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, রেলস্টেশন ও বাসস্টেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাতকানা রোগ এবং শিশু অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ ভিটামিন ‘এ’-এর অভাব। দুই দশক আগেও বাংলাদেশে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের অন্ধত্বের হার বেশি ছিল। তবে নিয়মিত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণের ফলে এই হার দ্রুত কমে এসেছে এবং বর্তমানে ভিটামিনের অভাবে অন্ধ হওয়া শিশুর সংখ্যা খুবই নগণ্য।