ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বগুড়ায় বালুবাহী ট্রাকের দাপটে মরণফাঁদে চন্দনবাইশা সড়ক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা থেকে জেলা শহর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইপাস সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি এখন যান চলাচলের জন্য প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলেও বালুবাহী ট্রাকের বেপরোয়া গতির কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় ঝুঁকি আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়, যা পথচারীদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ হলেও ভারী যান চলাচলের কারণে কয়েক মাসের মধ্যেই তা আবার ভেঙে যায়। স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, সড়কের ক্ষতি রোধে এবং অবৈধ ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্যে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি তিউনিসিয়া

বগুড়ায় বালুবাহী ট্রাকের দাপটে মরণফাঁদে চন্দনবাইশা সড়ক

আপডেট সময় : ১১:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা থেকে জেলা শহর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইপাস সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি এখন যান চলাচলের জন্য প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলেও বালুবাহী ট্রাকের বেপরোয়া গতির কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় ঝুঁকি আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়, যা পথচারীদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ হলেও ভারী যান চলাচলের কারণে কয়েক মাসের মধ্যেই তা আবার ভেঙে যায়। স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, সড়কের ক্ষতি রোধে এবং অবৈধ ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।