ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মার্কিন চাপ উপেক্ষা করে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা ইসরায়েলের

ইসরায়েলের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে না। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’কে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। কাটজ স্পষ্টভাবে বলেন, ওয়াশিংটন দাবি জানালেও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে এক চুলও সরবে না।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে সীমান্ত এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া লেবাননের প্রায় দুই লাখ বাসিন্দা এখনই তাদের ঘরে ফিরতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, অতীতে সীমান্ত সংলগ্ন তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ বেসামরিকদের বসবাসের সুযোগ দেওয়ায় ইসরায়েলি সেনাদের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা ও সড়কের পাশে বোমা পুঁতে রাখার মতো ঘটনা ঘটেছে। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা আর কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নিতে চান না। মূলত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক লক্ষ্য অর্জন এবং সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেনা সরানোর কোনো পরিকল্পনা নেই তেল আবিবের।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএম কলেজে ছাত্রদল নেতাকে মারধরের জেরে উত্তেজনা, পুলিশ মোতায়েন

মার্কিন চাপ উপেক্ষা করে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা ইসরায়েলের

আপডেট সময় : ০৬:২০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ইসরায়েলের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে না। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’কে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। কাটজ স্পষ্টভাবে বলেন, ওয়াশিংটন দাবি জানালেও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে এক চুলও সরবে না।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে সীমান্ত এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া লেবাননের প্রায় দুই লাখ বাসিন্দা এখনই তাদের ঘরে ফিরতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, অতীতে সীমান্ত সংলগ্ন তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ বেসামরিকদের বসবাসের সুযোগ দেওয়ায় ইসরায়েলি সেনাদের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা ও সড়কের পাশে বোমা পুঁতে রাখার মতো ঘটনা ঘটেছে। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা আর কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নিতে চান না। মূলত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক লক্ষ্য অর্জন এবং সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেনা সরানোর কোনো পরিকল্পনা নেই তেল আবিবের।