ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

দেশে ব্যাংক হিসাব ১৯ কোটি ছাড়িয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিচ্ছে সরকার

বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ১৯ কোটি ৩২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান। মন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট হিসাবের মধ্যে ১৭ কোটি ৭৯ লাখের বেশি সঞ্চয়ী এবং ১ কোটি ৫৩ লাখের বেশি ঋণ হিসাব রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে সরকার ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কৌশল’ বাস্তবায়ন করছে। বর্তমানে দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির হার ৬৪.৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের অর্থ বিদেশে পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এস আলম, বেক্সিমকো ও নাসা গ্রুপের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের পাচারকৃত সম্পদ চিহ্নিত করতে ৯টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। ‘নো উইন নো ফি’ শর্তে এই প্রতিষ্ঠানগুলো আইনি সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি গত মার্চ পর্যন্ত সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল ৭৮ হাজার ২৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং বর্তমানে নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা ১ কোটি ৩৮ লাখ ছাড়িয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ইমরানের জনপ্রিয় গান পরিবেশন করলেন স্থানীয় শিল্পী

দেশে ব্যাংক হিসাব ১৯ কোটি ছাড়িয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ১৯ কোটি ৩২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান। মন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট হিসাবের মধ্যে ১৭ কোটি ৭৯ লাখের বেশি সঞ্চয়ী এবং ১ কোটি ৫৩ লাখের বেশি ঋণ হিসাব রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে সরকার ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কৌশল’ বাস্তবায়ন করছে। বর্তমানে দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির হার ৬৪.৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের অর্থ বিদেশে পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এস আলম, বেক্সিমকো ও নাসা গ্রুপের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের পাচারকৃত সম্পদ চিহ্নিত করতে ৯টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। ‘নো উইন নো ফি’ শর্তে এই প্রতিষ্ঠানগুলো আইনি সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি গত মার্চ পর্যন্ত সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল ৭৮ হাজার ২৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং বর্তমানে নিবন্ধিত করদাতার সংখ্যা ১ কোটি ৩৮ লাখ ছাড়িয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।