ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

শহীদ ফাইয়াজকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন তার বাবা, ট্রাইব্যুনালে বিচার দাবি

জুলাই বিপ্লবের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ফারহান ফাইয়াজসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন শহীদ ফাইয়াজের বাবা শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া। সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস এবং সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী হিসেবে তিনি এই জবানবন্দি প্রদান করেন।

আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে শহিদুল ইসলাম বলেন, তার একমাত্র ছেলে ফারহান ফাইয়াজ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত ১৮ জুলাই সকালে সে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিতে বাসা থেকে বের হয়। মানিক মিয়া এভিনিউতে অবস্থানের সময় পুলিশ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে ফারহানের বুকে গুলি লাগে।

ছেলের মৃত্যুর সেই করুণ বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি জানান, হাসপাতালে গিয়ে দেখেন ফারহানের মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো, আর চারপাশে অসংখ্য শিক্ষার্থী রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছে। তিনি এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী ও ক্যাডার বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানে জনপ্রতিনিধিদের অবহেলা: স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কার করলেন গ্রামবাসী

শহীদ ফাইয়াজকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন তার বাবা, ট্রাইব্যুনালে বিচার দাবি

আপডেট সময় : ০৫:০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ফারহান ফাইয়াজসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন শহীদ ফাইয়াজের বাবা শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া। সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস এবং সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী হিসেবে তিনি এই জবানবন্দি প্রদান করেন।

আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে শহিদুল ইসলাম বলেন, তার একমাত্র ছেলে ফারহান ফাইয়াজ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত ১৮ জুলাই সকালে সে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিতে বাসা থেকে বের হয়। মানিক মিয়া এভিনিউতে অবস্থানের সময় পুলিশ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে ফারহানের বুকে গুলি লাগে।

ছেলের মৃত্যুর সেই করুণ বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি জানান, হাসপাতালে গিয়ে দেখেন ফারহানের মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো, আর চারপাশে অসংখ্য শিক্ষার্থী রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছে। তিনি এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী ও ক্যাডার বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।