ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আগামী ৩০ জুন অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব

আগামী ৩০ জুন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের বাদশাহ বা তার কোনো বিশেষ প্রতিনিধির নেতৃত্বে এই পবিত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ইতিমধ্যে এই উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাবার গিলাফ কিছুটা ওপরের দিকে তুলে দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ফজরের নামাজের পর এই রাষ্ট্রীয় ও আধ্যাত্মিক কার্যক্রম শুরু হয়।

কাবা শরিফ ধৌতকরণের এই মহতী অনুষ্ঠানে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আলেম, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে থাকেন। এবারের ধৌতকরণ প্রক্রিয়ার জন্য ৪০ লিটার জমজমের পানির সঙ্গে অত্যন্ত মূল্যবান ৫৪০ মিলিলিটার তায়েফি গোলাপ জল, ২৪ মিলিলিটার প্রিমিয়াম মানের গোলাপ তেল এবং খাঁটি উদ ও কস্তুরী মেশানো হয়েছে। বছরে দুইবার—একবার পবিত্র রমজান মাসের আগে এবং অন্যবার হজ পালন শেষে মহররমের শুরুতে—এই পবিত্র উৎসব পালন করা হয়। কাবার অভ্যন্তরীণ দেয়াল ও মেঝে ধৌতকরণের এই দৃশ্য বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে এক গভীর আধ্যাত্মিক আবেশ তৈরি করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় পবিপ্রবির দুই শিক্ষককে রাজকীয় সংবর্ধনা

আগামী ৩০ জুন অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব

আপডেট সময় : ০৬:২০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আগামী ৩০ জুন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ ধৌতকরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের বাদশাহ বা তার কোনো বিশেষ প্রতিনিধির নেতৃত্বে এই পবিত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ইতিমধ্যে এই উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাবার গিলাফ কিছুটা ওপরের দিকে তুলে দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ফজরের নামাজের পর এই রাষ্ট্রীয় ও আধ্যাত্মিক কার্যক্রম শুরু হয়।

কাবা শরিফ ধৌতকরণের এই মহতী অনুষ্ঠানে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আলেম, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে থাকেন। এবারের ধৌতকরণ প্রক্রিয়ার জন্য ৪০ লিটার জমজমের পানির সঙ্গে অত্যন্ত মূল্যবান ৫৪০ মিলিলিটার তায়েফি গোলাপ জল, ২৪ মিলিলিটার প্রিমিয়াম মানের গোলাপ তেল এবং খাঁটি উদ ও কস্তুরী মেশানো হয়েছে। বছরে দুইবার—একবার পবিত্র রমজান মাসের আগে এবং অন্যবার হজ পালন শেষে মহররমের শুরুতে—এই পবিত্র উৎসব পালন করা হয়। কাবার অভ্যন্তরীণ দেয়াল ও মেঝে ধৌতকরণের এই দৃশ্য বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে এক গভীর আধ্যাত্মিক আবেশ তৈরি করে।