ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

কোটালীপাড়ায় জরাজীর্ণ ব্রিজে মরণফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট বাজার সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ব্রিজের মাঝখানে বড় গর্ত ও বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারীরা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০-২০০১ অর্থবছরে প্রায় ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এই ৪২ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ দুই যুগ ধরে এটি এলাকার যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, ব্রিজের ওপর নিয়মিত ভারী মালবাহী ট্রাক এবং দূরপাল্লার বাস পার্কিং করার ফলে অতিরিক্ত চাপে এই ফাটল ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে গর্তটি বড় হওয়ায় মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের অন্ধকারে ব্রিজের এই গর্ত আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন এই সেতু পারাপার হচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জরুরি ভিত্তিতে ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দরপতন, দেশে কমবে কবে?

কোটালীপাড়ায় জরাজীর্ণ ব্রিজে মরণফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

আপডেট সময় : ০১:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট বাজার সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ব্রিজের মাঝখানে বড় গর্ত ও বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারীরা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০-২০০১ অর্থবছরে প্রায় ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এই ৪২ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ দুই যুগ ধরে এটি এলাকার যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, ব্রিজের ওপর নিয়মিত ভারী মালবাহী ট্রাক এবং দূরপাল্লার বাস পার্কিং করার ফলে অতিরিক্ত চাপে এই ফাটল ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে গর্তটি বড় হওয়ায় মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের অন্ধকারে ব্রিজের এই গর্ত আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন এই সেতু পারাপার হচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জরুরি ভিত্তিতে ব্রিজটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।