ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের ঘোষণা সরকারের

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে বড় ধরনের জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। আগামী এক বছরের মধ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ বা ধাত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে।

সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিশেষ করে উপজেলা এবং প্রান্তিক পর্যায়ে গর্ভবতী মায়েদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতেই এই বিপুল সংখ্যক মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগের আগে তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হবে এবং প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি শক্তিশালী ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলা হবে। এই নেটওয়ার্কের অধীনে স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা প্রদান করবেন। তবে বর্তমানের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করা হবে না, বরং এগুলোর সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ১১১ পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: আবেদন শুরু ২১ জুন

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের ঘোষণা সরকারের

আপডেট সময় : ০২:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে বড় ধরনের জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। আগামী এক বছরের মধ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ বা ধাত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে।

সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিশেষ করে উপজেলা এবং প্রান্তিক পর্যায়ে গর্ভবতী মায়েদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতেই এই বিপুল সংখ্যক মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগের আগে তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হবে এবং প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি শক্তিশালী ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলা হবে। এই নেটওয়ার্কের অধীনে স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা প্রদান করবেন। তবে বর্তমানের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করা হবে না, বরং এগুলোর সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে।