ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

হাওরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: বিকল্প কর্মসংস্থান ও সরকারি সহায়তাহীন মানবেতর জীবন কাটছে জেলেদের

দেশের অন্যতম প্রধান মৎস্য ভাণ্ডার কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে মাছের প্রজনন মৌসুমে প্রথমবারের মতো এক মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। তবে এই সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া হাজার হাজার জেলে পরিবারের জন্য বিকল্প কোনো আয়ের উৎস বা সরকারি খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। স্থানীয় জেলে, সামাজিক সংগঠন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, কোনো ধরনের নগদ প্রণোদনা ছাড়া এই নিষেধাজ্ঞা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৩৩ হাজারের বেশি হলেও বাস্তবে এই সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। গত ২৮ মে থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত চলবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নামমাত্র প্রচারণা চালানো হলেও পেটের তাগিদে জেলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরতে বাধ্য হচ্ছেন। বোরো ধানের ফলন বিপর্যয়ের পর এখন মাছ ধরা বন্ধ হওয়ায় হাওরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা চরম সংকটের মুখে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাটিরাঙ্গায় বাড়ির আঙিনায় গাছ পড়ে গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু

হাওরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: বিকল্প কর্মসংস্থান ও সরকারি সহায়তাহীন মানবেতর জীবন কাটছে জেলেদের

আপডেট সময় : ১২:২৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

দেশের অন্যতম প্রধান মৎস্য ভাণ্ডার কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে মাছের প্রজনন মৌসুমে প্রথমবারের মতো এক মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। তবে এই সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া হাজার হাজার জেলে পরিবারের জন্য বিকল্প কোনো আয়ের উৎস বা সরকারি খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। স্থানীয় জেলে, সামাজিক সংগঠন ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, কোনো ধরনের নগদ প্রণোদনা ছাড়া এই নিষেধাজ্ঞা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৩৩ হাজারের বেশি হলেও বাস্তবে এই সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। গত ২৮ মে থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত চলবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নামমাত্র প্রচারণা চালানো হলেও পেটের তাগিদে জেলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরতে বাধ্য হচ্ছেন। বোরো ধানের ফলন বিপর্যয়ের পর এখন মাছ ধরা বন্ধ হওয়ায় হাওরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা চরম সংকটের মুখে পড়েছে।